পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রক্রিয়া: কতিপয় বিবেচনা—১

আমার বাড়ি চট্টগ্রাম। আমার বাড়ি যেখানে তার এক কিলোমিটার পূর্বে পাহাড়। এই সামান্য পথ হেঁটে পাহাড়ে যাওয়া আমার কোনদিন হয়নি। ষাটের দশকে স্কুলের শেষ পরীক্ষা শেষ করার পর আমাকে পুলিশের নেকনজরে পড়তে হয়েছিল। লাল পাগড়ির হাত থেকে বাঁচার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছিল।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সর্বমোট থেকেছিলাম এক বছর তিন মাস। এই এক বছর তিন মাস সময়ের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের অনেকখানি অঞ্চল আমি পায়ে হেঁটে ঘুরে দেখেছি। আমি যে সমস্ত জায়গায় গিয়েছিলাম, পাহাড়ি বন্ধুদের কাছে সে সব জায়গার বর্ণনা যখন তুলে ধরি, অনেক সময় তাঁরা নিজেরাও অবাক হয়ে যান এবং বলে থাকেন আপনি যত জায়গায় গিয়েছেন, সচরাচর আমাদের পাহাড়িরাও অতগুলো জায়গায় বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া যাই না।

আমি বিলাইছড়ি বাজার থেকে গোটা একদিন আধারাত দুর্গম পাহাড়ি পথ পায়ে হেঁটে ফারুয়া অবধি গিয়েছি। ফারুয়ার পথে যেসব পাহাড় পেরিয়ে যেতে হয় তার একেকটার চূড়ায় চড়লে চন্দ্রঘোনার কাগজের কল দেখা যায়। ওই জায়গা থেকে চন্দ্রঘোনার দূরত্ব একশ কিলোমিটার। কর্ণফুলী নদীকে আকাঁবাকাঁ চিকন একটি রূপালি রেখার মত দেখায়। ফারুয়া ছাড়াও আমি রাঙ্গামাটি হয়ে বুড়িঘাট বাজার, নানিয়াচর বাজার, মহালছড়ি, খাগড়াছড়ি, মাইনিমুখে সকল এলাকা পায়ে হেঁটে, কখনো মুড়ির টিনের মত লক্কর বাসে চেপে, কখনো নৌকাযোগে ভ্রমণ করেছি। ভ্রমণ করেছি কথাটা বোধ হয় ঠিক হল না। আসলে ব্যাপারটি, আমি অন্ন ও নিরাপত্তার সন্ধানে ঘুরে বেরিয়েছি।

কৃষক পরিবারে আমার জন্ম। নিজেদের জমিতে নিজ হাতে চাষবাসের কাজ করিনি। পৈতৃক সূত্রে যে জমিগুলো আমি পেয়েছি, তার কোন অংশ কোনদিন আমি পুরোপুরি চিনে নিতে না পারলেও কামলার খরচ ঠিকমত যোগাতে হয়। আমি বুড়িঘাট বাজারের কাছে মইশছড়ি পাড়ায় নতুনচন্দ্র কারবারির জমিতে প্রথম মোষের হাল বাইতে শিখি। আগে কোনদিন লাঙলের মুঠিও আমাকে ধরতে হয়নি। সেই সময়েই প্রথম রক্তখেকো ছাড়ালে ছাড়ান যায় না মইশা জোঁকের সাথে আমার পরিচয় হয়। মোষের হাল বাইতে গিয়ে আমার আঙুলে যে কড়া পড়েছিল তা এখনো মিলিয়ে যায়নি। নিতান্ত ঠেলায় পড়ে নতুনচন্দ্র কারবারির বাড়িতে অন্য দিনমজুরের সাথে দিন মজুরের কাজ আমাকে করতে হয়েছে। আমি পরিবারের কনিষ্ঠতম সন্তান এবং অনেকগুলো বোনের পর মায়ের একমাত্র বেটা ছাওয়াল। বাড়িতে আরাম-আয়েশ, খাওয়া-পরা, আদর-যত্নের অভাব ছিল না। কিন্তু আমি সাধ করে কষ্টটা মাথায় তুলে নিয়েছিলাম।

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়িদের মধ্যে আমাকে অত্যন্ত কষ্টের জীবন যাপন করতে হয়েছে। আজ প্রায় চল্লিশ বছর পরে যখন চোখ বন্ধ করে ভাবি, কষ্টের কথাগুলো আমার মোটেও মনে পড়ে না। অতীতের সুখ-স্মৃতিগুলো মনের আনাচ-কানাচ থেকে উঁকি দিতে থাকে।

নতুনচন্দ্র কারবারি মশায়রা একটি প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। স্কুলে উর্দু পড়াবার একজন হুজুরের ঘাটতি দেখা গেল। উর্দুর শিক্ষক ছাড়া স্কুলের মঞ্জুরি পাওয়া যাচ্ছিল না। মাসিক ছাব্বিশ টাকা মাইনের লোভে ওই জঙ্গলে কোন হুজুর মরতে যাবেন। আমার অল্প-স্বল্প উর্দু এলেম ছিল। প্রাইমারির তালেবে এলেমদের জন্যে সেটা যথেষ্ট ছিল। সুতরাং আমাকে টেনেহিঁচড়ে মোষের হাল থেকে উর্দুর হুজুর হিশেবে প্রমোশন দেয়া হল। যাক, হালের পেছনে ছোটা থেকে উদ্ধার পাওয়া গেল। ভাগ্য আমাকে আরো একটু করুণা করলো। নতুনচন্দ্র কারবারির বাড়িতে একটা টুটা ফাটা মহাভারত ছিল। সেটার সামনের এবং পেছন দিকের পাতাগুলো ছিল না। গ্রন্থটিকে একখণ্ড পরিষ্কার কাপড়ে মুড়িয়ে মাচান ঘরের উঁচু জায়গায় তুলে রাখা হতো, পাছে পরিবারের কোন মানুষের অপবিত্র স্পর্শে গ্রন্থের মর্যাদাহানি ঘটে। শুধাং মানে শাস্ত্র। আমাদের চট্টগ্রাম অঞ্চলে মানুষ সচরাচর কথায় কথায় বলে ফেলে, এই জিনিস আমার শুধাংয়ে নেই। অর্থাৎ বিষয়টিতে আার অভ্যাস নেই। শুধাং শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ আমার জানা নেই। খুব সম্ভব শব্দটি বর্মি ভাষা থেকে এসেছে।

একদিন আমি কারবারি মশায়ের কাছে জিজ্ঞেস করলাম, আপনারা শুধাংয়ের বইটি কখনো কি পড়ে দেখেছেন? তিনি হতাশভাবে বললেন, বুড়িঘাট বাজারের অমূল্য কবিরাজ শুধাং পাঠ করে কথার মহাত্ম্য বুঝিয়ে দিতে পারতেন। তাঁর মৃত্যুর পর শুধাংয়ের মাহাত্ম্য ব্যাখ্যা করার মতো কোন লোক পাওয়া যায়নি। আমি একদিন কথায় কথায় জানালাম আমি স্মৃতি থেকে মহাভারতের নানা অংশ শুধু উদ্ধৃত করতে পারিনে, চেষ্টা করলে মাহাত্ম্যও বুঝিয়ে দিতে পারি। একজন ‘মগদা বাঙ্গাল’ শুধাং পড়ে মাহাত্ম্য ব্যাখ্যা করতে পারে একথা জানাজানি হওয়ার পরে, ওই পাড়ায় আবাল-বৃদ্ধ লোকজনের দৃষ্টিতে রাতারাতি একটা সম্মানের আসন পেয়ে গেলাম। আমার স্মৃতিতে ভাসে অনেক অনেক জ্যোৎ¯œাজ্বলা রাত। থোকা থোকা পরিপক্ক সিঁদুরে লিচুর মতো আকাশের তারাগুলো উপত্যাকার নির্জন ভূমির প্রতি তাকিয়ে আছে। কেরোসিনের আলোকে মাচানে ঘরের সামনের আঙ্গিনায় আমি সুর করে মহাভারত পাঠ করছি, অর্থ বুঝিয়ে দিচ্ছি, নর-নারী, যুবা-বৃদ্ধ অবাক হয়ে যুধিষ্ঠির অর্জুন দ্রৌপদী দুর্যোধনের কাহিনী শুনে যাচ্ছে। নতুনচন্দ্র কারবারির একটি মেয়ে ছিল, নাম লক্ষণা। সে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়তো। আমার কাছে উর্দু ছাড়া অন্যান্য বিষয়ও পড়তো। বয়স পনের ষোল। ওই সমস্ত অঞ্চলে আট ন’বছরের পূর্বে ছেলে-মেয়েদের স্কুলে দেয়ার নিয়ম ছিল না। এসব কথা থাকুক।

পার্বত্য চট্টগ্রামের শুধু চাকমারা নয়, অন্য উপজাতির লোকেরাও নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলার সময় কি হিন্দু কি মুসলমান এমনকি স্বধর্মী বাঙ্গালি বৌদ্ধদেরও মগদা বাঙ্গাল বলে সম্ভাষণ করতো। মগদা বাঙ্গাল একটা খুব বিশ্রী ধরনের গালি। অর্থ করলে বোধ হয় এরকম দাঁড়াবে শালার বাঙ্গাল। পাহাড়িরা নির্বিশেষে সমস্ত বাঙ্গালিদের মগদা বাঙ্গাল বলে যে ডাকে তার পেছনে ক্রিয়াশীল রয়েছে অনেক মর্মান্তিক লোমহর্ষক অভিজ্ঞতা। সাম্প্রতিক সময় ছাড়া পাহাড়ি জনগোষ্ঠির লোকদের বাঙ্গালিদের প্রতি বিরূপ মনোভাব এমন স্পষ্ট একরোখা রণধ্বনির মাধ্যমে উচ্চারিত হওয়ার অবকাশ আসেনি।

বাঙ্গালিদের প্রতি পাহাড়ি জনগোষ্ঠির মনে যে ধারণা যুগ যুগ ধরে মেলামেশার ফলে বিদ্যুতের অক্ষরে অংকিত হয়ে আছে, সেগুলোর সমষ্টিকরণ করলে এই দাঁড়াবে: বাঙ্গালিরা চোর, প্রতারক, লম্পট। তাদের স্ত্রী এবং কন্যা সন্তানেরা বাঙ্গালিদের কাছে নিরাপদ নয়। তারা কৌশলে তাদের ভূসম্পত্তি দখল করে নেয়। ব্যবসা বাণিজ্যে তাদের ঠকায়। তাদের কাছ থেকে জিনিস কেনার সময় ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করে। তাদের দারিদ্রের সুযোগ নিয়ে টাকা ধার দিয়ে চড়াসুদে আদায় করে সর্বস্বান্ত করতে বাঙ্গালিদের বাঁধে না।

আমি বাঙ্গালিদের প্রবঞ্চনা, প্রতারণা, অত্যাচার, বিশ্বাসভঙ্গের এতো কাহিনী শুনেছি তার সবগুলো যদি বিস্তারিতভাবে বয়ান করি, বিশাল কলেবরে একটা গ্রন্থ দাঁড়িয়ে যাবে। শুধু একটি ঘটনা উল্লেখ করবো। উনিশশো আটান্ন সালে জেনারেল আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারির পর ছাউনি থেকে বের করে আনা সৈন্যদের কুকুরের ল্যাজ সোজা করার মতো একটা সার্বক্ষণিক কাজ বের করলেন। ঝোঁপ-জঙ্গল সাফা করো, বাড়ি ঘর পরিষ্কার করো, নইলে সৈন্যরা ডাণ্ডা দিয়ে পেটাবে। ডাণ্ডা খাবার ভয় থেকে বাঁচার জন্যে অনেক গেরোস্থ যে ফলের গাছ, তরিতরকারির বাগান কেটে ছত্রখান করেছে গ্রামদেশে তার ভুরি ভুরি নজির রয়েছে। ওই সাফা করো নির্দেশ যখন পাহাড়িদের কাছে গেলো তারা সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম একটি প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলো। তারা বললো সাফা করে লাভ কি। আমরা বনজঙ্গল কেটে সাফা করে যেটুকু নাল জমি আবাদ করি, দশ বছর না যেতেই সে জমি মগদা বাঙ্গালদের হাতে চলে যায়। সুতরাং গবমেন্টের নির্দেশে আর সাফা করবো না। সৈন্যরা যদি ডাণ্ডা নিয়ে মারতে আসে, নাগাল না পায় মতো বাল-বাচ্চা গরু-বাছুর নিয়ে আরো গহীন জঙ্গলে চলে যাবো।

শতাব্দীর পর শতাব্দীর ধরে পাহাড়িদের ওপর যে নির্মম শোষণ চালানো হয়েছে, তার অজস্র কাহিনী আমি জানি। এখনো শুধু একটা উল্লেখ করবো। অনেক দিন আগে হেমন্তকুমার নামে এক মহাজন একটা ইলিশ মাছ তার হালে পাতানো চাকমা বন্ধুকে দিয়ে বললো, বন্ধু এটা পদ্মার ইলিশ, তোমার জন্যে এনেছি, ঝোলে-ঝালে রান্না করে খাও। অমৃতের স্বাদ পাবে। চাকমা বন্ধুটি বললো, তুমি ঠিকই বন্ধুর কাজ করেছো। মাছটা তো তুমি কষ্ট করে এনেছো, বলো কত দাম দিতে হবে। হেমন্তও বাবু দাঁতে জিভ কেটে বললেন, বন্ধু তুমি আমাকে এতো কমিনা মনে করো কেন, আমি তোমার কাছে ইলিশ মাছের দাম চাইবো! মাছটা আমি তোমাকে উপহারই দিলাম। বছরে বছরে শুধু তুমি এক আড়ি (১০ কেজি) করে ধান দেবে। হেমন্ত বাবু যতোদিন বেঁচেছিলেন এক আড়ি করে ধান প্রতি বছর বন্ধুর কাছে আদায় করেছেন। হেমন্ত বাবুর মৃত্যুর পরে তার ছেলে বন্ধুপুত্রের কাছ থেকে উপহার দেয়া ইলিশ মাঝের শুল্ক ঠিকমতো আদায় করেছে। নাতির আমল যখন এলো চাকমাটির নাতি বিরক্ত হয়ে জানতে চাইলো, একটা ইলিশ মাছ দিয়ে তিন পুরুষ ধরে এক আড়ি ধান আদায় করছো, তোমার ইলিশ মাছের দাম কত। হেমন্ত বাবুর নাতি হিসেব করে জানালো বর্তমানের হিসেবে ছ’টাকা চৌদ্দ আনা। তখন নাতি চাকমা ছ’টাকা চৌদ্দ আনা নগদে শোধ করে বললো আগামী বছর থেকে আর আসবে না।

পার্বত্য উপজাতিদের প্রতি যে শোষণ তা শুরু হয়েছে অনেক অনেক আগে। শান্তিবাহিনী গঠিত হওয়ার আগে, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে, ভারত, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আগে, কাপ্তাই বাঁধ চালু হওয়ার আগে, ভারতে ব্রিটিশ শাসন চালু হওয়ার আগে, নওয়াবেরা বাংলার মসনদে আসীন হওয়ার আগে, মোগলেরা জঙ্গল মহাল হিশেবে পার্বত্য চট্টগ্রামকে কার্পাস মহল বলে চিহ্নিত করার আগে, কতো আগে আমি বলতে পারবো না। যে ঐতিহাসিক ধারাক্রম অনুসারে রণরক্ত সফলতার মধ্য দিয়ে শক্তিমান জনগোষ্ঠির কাছে মার খেয়ে দুর্বল মানবগোষ্ঠী একটেরে পালিয়ে গিয়ে কোন রকমে আত্মরক্ষা করেছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিসমূহের ভাগ্যও তার চাইতে বিচ্ছিন্ন নয়।

কাপ্তাই বাঁধ চালু হওয়ার পূর্বের ব্যাপার। রাঙ্গামাটি শহর ছিল কর্ণফুলী নদীর তীরে। নদীর জলস্তর থেকে বাজারের উচ্চতা ছিল সত্তর আশি হাতের মতো। বাঁধ যখন চালু হলো বাজার পানিতে ডুবে গেল। আরো একশো হাত উঁচু জায়গায় সরিয়ে নিতে হলো। সে জায়গাও পানির তলায় চলে গেল। আরো দূরে আরো উঁচুতে সরিয়ে নিতে হলো বাজার। কাপ্তাই বাঁধ পাহাড়িদের জীবনে কি রকম মারাত্মক অভিশাপ বয়ে এনেছিল, সে বিষয়ে একটা সাধারণ ধারণা দেয়ার জন্যে ক্রমাগত বাজার স্থানান্তরের বিষয়টা উল্লেখ করলাম।

আমার স্বচক্ষে দেখা গৃহহারা পাহাড়িদের দুয়েকটা খণ্ডচিত্র এখানে তুলে ধরতে চাই। এক মাঝবয়সী মহিলাকে দেখলাম নিরাপদ আশ্রয়ের আশায় ছুটে যাচ্ছেন। তাঁর এক হাতে একটি নারিকেলের শলার ঝাড়ু, আরেক হাতে মাটিশুদ্ধ একটি বারোমেসে বেগুনের চারা। এখানে বলে রাখা অন্যায় হবে না পাহাড়ি এলাকায় নারকেলের ঝাড়ু বড় সহজলভ্য বস্তু নয়। আরেক মহিলাকে দেখলাম, তিনি একটা মুরগি এবং একটি কুকুরের বাচ্চাকে কোলের কাছটিতে নিবিড়ভাবে ধরে পাহাড়িপথে হেঁটে যাচ্ছেন। তাঁদের চোখের যে অসহায় দৃষ্টি আমি দেখেছি, সারা জীবনে তা ভুলে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব হবে না।

১৯ নবেম্বর ১৯৯৭

শান্তি চুক্তি ও নির্বাচিত নিবন্ধ (ঢাকা: ইনফো পাবলিকেশনস্, ১৯৯৮)।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

*